সুন্দরবন রক্ষায় ৭৬ টি ক্যাম্পে পাহারায় মাত্র ১৭৮ বনরক্ষী


এপ্রিল ১২ ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: আধুনকি নৌযান থকেে শুরু করে আগ্নয়োস্ত্র,র্ পযাপ্ত জনবলসহ নানা সংকটে এক প্রকার খুড়য়েি চলছে বশ্বি ঐতহ্যি সুন্দরবন রক্ষার্ কযক্রম। ৬ হাজার ১৭ কলোিমটাির সুন্দরবনরে ৭৬ টি ক্যাম্পরে মাত্র ১৭৮ জন বনরক্ষী দয়েি চলছে এর রক্ষাণাবক্ষণে। আধুনকি সকল সুযোগ-সুবধাি থকেে বঞ্চতি এসব বনরক্ষীদরে নইে রশনেংি ও ঝুঁকভািতা,র্ সবন¤œি বতনে স্কলে নয়েি বনরে গহীনে অবস্থানরতরা ভোগ করতে পারননো সরকারি ছুটগুিলো। নানা সংকট ও সমস্যায় কারো মৃত্যু হলওে তাদরে পরবািরকে দয়ো হয়না কোন বতনে-ভাতা। এমন শত সংকট ও প্রতকূিলতায় মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে সুন্দরবন রক্ষার্ কাযক্রম।
বন বভািগ জানায়, ৬ হাজার ১৭ কলোিমটাির আয়তনরে সুন্দরবনরে স্থলভাগরে পরমািণ ৪ হাজার ১৪৩র্ বগ কলোিমটাির। আর জলভাগরে পরমািণ ২ হাজার ৮৭৪র্ বগ কলোিমটাির।র্ পূব ও পশ্চমি এ দু’ভাগে বভক্তি সুন্দরবন বনবভািগে মোট ৪টি রঞ্জে রয়ছ।েে সুন্দরবনরে মধ্য দয়েি শতাধকি খাল ও নদী প্রবাহত।ি এ সকল খাল-নদী পর্রদশিনে ৭৬টি ক্যাম্প থাকলওে সব মলয়িেি বন প্রহরী রয়ছনেে মাত্র ১৭৮ জন। বর্স্তীিণ সুন্দরবনরে নরািপত্তায় নরস্ত্রি অল্প সংখ্যক বন রক্ষীদরে দয়েি পাহারার্ কাযক্রম তাই মারাতœকভাবে ব্যাহত হচ্ছ।ে
সূত্র জানায়,র্ পার্শ্ববতী দশে ভারতরে সুন্দরবন অংশের্ কর্মরতাদরে ঝুঁকি ভাতা দয়ো হয় ২ লাখ টাকা। সুন্দরবনরে পশ্চমি বনবভািগ খুলনা রঞ্জরেে ভোমরখালী টহল ফাঁড়রি জনকৈ বর্নকমী বলন,ে বনরে ভতরে নয়মিতি টহলরে জন্য তাদরে কোনো আধুনকি নৌযান নই।ে এক ফাঁড়ি থকেে অন্য ফাঁড়তেি দ্রুত কোনোভাবে পৌঁছানো যায় না। বনরে ভতরে সব জায়গায় কাজ করনো মোবাইল মোবাইল নটর্ওেয়াক।
তনিি আরো বলন,ে নয়মিতি বনদস্যু, বাঘ ও কুমররিে সঙ্গে লড়াই করে তাদরে সুন্দরবনে কাজ করতে হয়। তারপরও ইচ্ছা থাকা স্বত্তওে নানা প্রতকূিলতায় অনকে কাজ তারা করতে পারনে না। এসময় তনিি আরো বলন,ে দায়ত্বি পালনকালে ঝুঁকি ভাতা তো দূররে কথা, ভালো কাজরওে কোনো স্বীকৃতি পাননা তারা। অনুপ্ররণোর অভাবে কখনো কখনো তারা নরুিৎসাহতি হয়ে পড়ন।ে ভুক্তভোগী বর্নকমীরা জানান, পুলশি বভািগরে ন্যায় শতভাগ ফ্যামলিি রশনে, ঝুঁকি ভাতা,র্ কমরত অবস্থায় নহতি পরবািররে জন্য এককালীন অনুদান এবং সুন্দরবনসহ অন্যান্য বন বভািগরে জন্য শতকরা ৩০ ভাগর্ দুগম ভাতা পাবার জন্য সংশ্লষ্টি বন মন্ত্রণালয়রে আগে লখতিি আবদনে করা হলওে সাড়া না পাওয়ায় খানকটিা হলওে হতাশ তারা।
বাংলাদশে বনপ্রহরী কল্যাণ সমতরিি সুন্দরবন পশ্চমি আঞ্চলকি শাখার সভাপতি সয়দৈ অলয়াির রহমান মলনি সাংবাদকদিরে জানান, বন রক্ষীদরে দাবতেি করা আবদনেটি বন মন্ত্রণালয় পার হয়ে লাল ফতািয় আটকে গছেের্ অথ মন্ত্রণালয়।ে
পশ্চমি সুন্দরবনরে বভগিীয় বনর্ কর্মকতা বলন,ে বন বভািগরে স্টাফদরে দাবরি বষয়িটি বভন্নিি সময়র্ ঊধ্বতনর্ কতৃপক্ষকে জানানো হয়ছ।েে
িিজিস্ব প্রতবিদেক: আধুনকি নৌযান থকেে শুরু করে আগ্নয়োস্ত্র, র্পযাপ্ত জনবলসহ নানা সংকটে এক প্রকার খুড়য়িে চলছে বশ্বি ঐতহ্যি সুন্দরবন রক্ষা র্কযক্রম। ৬ হাজার ১৭ কলিোমটিার সুন্দরবনরে ৭৬ টি ক্যাম্পরে মাত্র ১৭৮ জন বনরক্ষী দয়িে চলছে এর রক্ষাণাবক্ষেণ। আধুনকি সকল সুযোগ-সুবধিা থকেে বঞ্চতি এসব বনরক্ষীদরে নইে রশেনংি ও ঝুঁকভিাতা, র্সবন¤িœ বতেন স্কলে নয়িে বনরে গহীনে অবস্থানরতরা ভোগ করতে পারনেনা সরকারি ছুটগিুলো। নানা সংকট ও সমস্যায় কারো মৃত্যু হলওে তাদরে পরবিারকে দয়ো হয়না কোন বতেন-ভাতা। এমন শত সংকট ও প্রতকিূলতায় মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে সুন্দরবন রক্ষা র্কাযক্রম।
বন বভিাগ জানায়, ৬ হাজার ১৭ কলিোমটিার আয়তনরে সুন্দরবনরে স্থলভাগরে পরমিাণ ৪ হাজার ১৪৩ র্বগ কলিোমটিার। আর জলভাগরে পরমিাণ ২ হাজার ৮৭৪ র্বগ কলিোমটিার। র্পূব ও পশ্চমি এ দু’ভাগে বভিক্ত সুন্দরবন বনবভিাগে মোট ৪টি রঞ্জে রয়ছে।ে সুন্দরবনরে মধ্য দয়িে শতাধকি খাল ও নদী প্রবাহতি। এ সকল খাল-নদী পরর্দিশনে ৭৬টি ক্যাম্প থাকলওে সব মলিয়িে বন প্রহরী রয়ছেনে মাত্র ১৭৮ জন। বস্তর্িীণ সুন্দরবনরে নরিাপত্তায় নরিস্ত্র অল্প সংখ্যক বন রক্ষীদরে দয়িে পাহারা র্কাযক্রম তাই মারাতœকভাবে ব্যাহত হচ্ছ।ে
সূত্র জানায়, র্পাশ্বর্বতী দশে ভারতরে সুন্দরবন অংশে র্কমর্রতাদরে ঝুঁকি ভাতা দয়ো হয় ২ লাখ টাকা। সুন্দরবনরে পশ্চমি বনবভিাগ খুলনা রঞ্জেরে ভোমরখালী টহল ফাঁড়রি জনকৈ বনর্কমী বলনে, বনরে ভতের নয়িমতি টহলরে জন্য তাদরে কোনো আধুনকি নৌযান নইে। এক ফাঁড়ি থকেে অন্য ফাঁড়তিে দ্রুত কোনোভাবে পৌঁছানো যায় না। বনরে ভতের সব জায়গায় কাজ করনো মোবাইল মোবাইল নটেওর্য়াক।
তনিি আরো বলনে, নয়িমতি বনদস্যু, বাঘ ও কুমরিরে সঙ্গে লড়াই করে তাদরে সুন্দরবনে কাজ করতে হয়। তারপরও ইচ্ছা থাকা স্বত্তওে নানা প্রতকিূলতায় অনকে কাজ তারা করতে পারনে না। এসময় তনিি আরো বলনে, দায়ত্বি পালনকালে ঝুঁকি ভাতা তো দূররে কথা, ভালো কাজরেও কোনো স্বীকৃতি পাননা তারা। অনুপ্ররেণার অভাবে কখনো কখনো তারা নরিুৎসাহতি হয়ে পড়নে। ভুক্তভোগী বনর্কমীরা জানান, পুলশি বভিাগরে ন্যায় শতভাগ ফ্যামলিি রশেন, ঝুঁকি ভাতা, র্কমরত অবস্থায় নহিত পরবিাররে জন্য এককালীন অনুদান এবং সুন্দরবনসহ অন্যান্য বন বভিাগরে জন্য শতকরা ৩০ ভাগ র্দুগম ভাতা পাবার জন্য সংশ্লষ্টি বন মন্ত্রণালয়রে আগে লখিতি আবদেন করা হলওে সাড়া না পাওয়ায় খানকিটা হলওে হতাশ তারা।
বাংলাদশে বনপ্রহরী কল্যাণ সমতিরি সুন্দরবন পশ্চমি আঞ্চলকি শাখার সভাপতি সয়ৈদ অলয়িার রহমান মলিন সাংবাদকিদরে জানান, বন রক্ষীদরে দাবতিে করা আবদেনটি বন মন্ত্রণালয় পার হয়ে লাল ফতিায় আটকে গছেে র্অথ মন্ত্রণালয়।ে
পশ্চমি সুন্দরবনরে বভিগীয় বন র্কমর্কতা বলনে, বন বভিাগরে স্টাফদরে দাবরি বষিয়টি বভিন্নি সময় র্ঊধ্বতন র্কতৃপক্ষকে জানানো হয়ছে।ে

শ্যামনগর

যশোর

আশাশুনি


জলবায়ু পরিবর্তন